যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা বন্ড নীতির আওতায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশের ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (ভিসা বন্ড) জমা দিতে হতে পারে।
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই তালিকায় প্রধানত আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাম রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রকাশিত তালিকায় মোট ৩৮টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, নতুন করে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর জন্য এ নীতি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তালিকাভুক্ত কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তি যদি বি১/বি২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তবে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার বন্ড জমা দিতে হবে। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ঝুঁকি বিবেচনায় বন্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এই বন্ডের আওতায় ভিসাধারীরা যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হলো— বোস্টন লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওয়াশিংটন ডুলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বন্ড প্রদানের শর্তে সম্মতি জানাতে আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম Pay.gov ব্যবহার করতে হবে।
পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানায়, এটি একটি পাইলট কর্মসূচি, যা গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। সে সময় সীমিত কয়েকটি দেশকে প্রাথমিকভাবে এই নীতির আওতায় আনা হয়েছিল।
বর্তমানে ভিসা বন্ড তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো— আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, বাংলাদেশ, বেনিন, ভুটান, বতসোয়ানা, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কোট দিভোয়ার, কিউবা, জিবুতি, ডোমিনিকা, ফিজি, গ্যাবন, গাম্বিয়া, গিনি, গিনি-বিসাউ, কিরগিজস্তান, মালাউই, মৌরিতানিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে, সেনেগাল, তাজিকিস্তান, তানজানিয়া, টোগো, টোঙ্গা, তুর্কমেনিস্তান, টুভালু, উগান্ডা, ভানুয়াতু, ভেনেজুয়েলা, জাম্বিয়া ও
জিম্বাবুয়ে।
Desk/Nobodristi

