পোশাক শিল্পে মন্দার ছায়া, টানা পাঁচ মাস কমেছে রপ্তানি - BanglaScope News | Digital Bangla News Portal

সর্বশেষ

Home Top Ad

UAP_drhjoy

পোশাক শিল্পে মন্দার ছায়া, টানা পাঁচ মাস কমেছে রপ্তানি

দেশের সবচেয়ে বড় আয়ের খাত পোশাক শিল্প মন্দার মধ্যে পড়েছে। টানা পাঁচ মাস ধরে রপ্তানি কমতির ধারা অব্যাহত রয়েছে। রপ্তানির বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসহ ২৬টি দেশে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় হ্রাস দেখা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এমন চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ক্রোয়েশিয়ায় রপ্তানি আগের বছরের জুলাই-ডিসেম্বরের প্রথমার্ধের তুলনায় ৭৬.৬৪ শতাংশ কমে ৩৪ মিলিয়ন থেকে ৮ মিলিয়নে নেমেছে। চেক প্রজাতন্ত্রে কমেছে ২.২৩ শতাংশ; ১৬৫ মিলিয়ন থেকে ১৬২ মিলিয়নে।


ডেনমার্কে রপ্তানি কমেছে ১০.৫৪ শতাংশ (৫৫৭ মিলিয়ন থেকে ৪৯৮ মিলিয়নে), ফিনল্যান্ডে ৩.১৯ শতাংশ (১৬.৭৬ মিলিয়ন থেকে ১৬.২২ মিলিয়নে), ফ্রান্সে ১০.৮৯ শতাংশ (১৬.৭৬ মিলিয়ন থেকে ১৬.২২ মিলিয়নে), জার্মানিতে ১১.৪০ শতাংশ (২,৪৬৯ মিলিয়ন থেকে ২,১৮৭ মিলিয়নে), হাঙ্গেরিতে ২.৮৮ শতাংশ (৮৯ মিলিয়ন থেকে ৮৭ মিলিয়নে) কমেছে।


ইতালিতে কমেছে ৫.৪ শতাংশ (৭৭২ মিলিয়ন থেকে ৭৩৩ মিলিয়নে), আয়ারল্যান্ডে ৯.৫৯ শতাংশ (১২৫ মিলিয়ন থেকে ১১৩ মিলিয়নে), লুক্সেমবার্গে ২৬.০৬ শতাংশ (২.৫৮ মিলিয়ন থেকে ১.৯১ মিলিয়নে), পর্তুগালে ৫.২৪ শতাংশ (৫৫ মিলিয়ন থেকে ৫২ মিলিয়নে) এবং রোমানিয়ায় ৩৪.৯৫ শতাংশ (১১৩ মিলিয়ন থেকে ৭৩ মিলিয়নে) কমেছে। স্লোভাকিয়ায় কমেছে ২২.৬০ শতাংশ, সুইডেনে ৪.৪১ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ০.১০ শতাংশ কমে ৩,৮৪৩ মিলিয়ন থেকে ৩,৮৩৯ মিলিয়নে নেমেছে।


অপ্রচলিত বাজারগুলোতেও হ্রাস দেখা গেছে। রাশিয়ায় ২৬.৬৩ শতাংশ, তুরস্কে ২৫.৮০ শতাংশ, মেক্সিকোয় ১৮.৬৬ শতাংশ, কোরিয়ায় ১২.৮৪ শতাংশ, ভারত ১০.৪৪ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ায় ১২.৪৪ শতাংশ, চিলিতে ১.৯৭ শতাংশ, জাপানে ০.৭৫ শতাংশ এবং নিউজিল্যান্ডে ৯.৩২ শতাংশ কমেছে।


বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “বিশ্ববাজারে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে সাময়িকভাবে রপ্তানি মন্দা দেখা দিয়েছে। তবে উদ্ভাবনী উদ্যোগ, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং নতুন বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বড় বাজারে চাহিদা বাড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”


তিনি আরও যোগ করেন, “সরবরাহ চেইন, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনশীল চাহিদার দিকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।”


সুত্র: রাশেদ হোসাইন, বাংলাদেশ প্রতিদিন

Post Bottom Ad

UAP_drhjoy